Breaking News
Home / SPORTS / দেশি খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখেন
Loading...

দেশি খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখেন

চলতি বছরের ৪ নভেম্বর শুরু বিপিএলে বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা বাড়ানোর কথা ভাবছে বিসিবি। বিপিএলে একাদশে কমপক্ষে চারজন বিদেশি খেলোয়াড় রাখার নিয়ম ছিল। এবার সেটি হতে পারে পাঁচজন। একাদশে বিদেশি খেলোয়াড় বাড়ানোর যুক্তি হিসেবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সচিব ইসমাইল হায়দার বলেছেন, ‘যদি একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি দল এবার বাড়ে, ওই পরিমাণ স্থানীয় প্রতিভা আমাদের নেই, যারা এত বড় টুর্নামেন্টে নিজেদের মেলে ধরতে প্রস্তুত।

ভারতে যে পরিমাণ প্রতিভা আছে, বাংলাদেশে এখনো সেটা খুঁজে পাইনি।’ খবরটি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হওয়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাঠকেরা। বাছাই করা কিছু মন্তব্য পরিমার্জন-সংশোধন করে এখানে প্রকাশ করা হলো।

সাকিবুর এস রহমান লিখেছেন, ‘আমরা এখন ছয় নম্বর দল। সবার এই আত্মমর্যাদা ও অহংকার থাকা উচিত। যদি প্রতিভা না-ই থাকত তাহলে সাকিব-সৌম্য-সাব্বিররা ফুটবল খেলত।’ যে ভারতের উদাহরণ দিয়েছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সচিব, সেটির পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন হামিদুর রহমান নামের আরেক পাঠক, ‘বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে কিছু জানতে ইচ্ছা করে।

এবারের আইপিএলে তারকাসমৃদ্ধ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) ও দিল্লির অবস্থান কোথায় ছিল জানা আছে?…দিনেশ কার্তিক-ইরফান পাঠান-গম্ভীরকে অনেক বিদেশি খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি দামে নেয় আইপিএলের দলগুলো। তামিম যখন পুনেতে খেলতে গেল তখন তাদের ওপেনারের অভাব ছিল। মাশরাফি যখন কলকাতায় গেলেন তখন তাদের ভালো পেসারের অভাব ছিল। তারপরও এই দুজন সুযোগ পায়নি। কারণ একটাই, ভারত নিজেদের খেলোয়াড় তৈরির চেষ্টা করেছে, বিদেশিদের জন্য নয়।’

Loading...

হামিদুর মনে করিয়ে দিলেন, ২০১৫ বিপিএলে মাশরাফি বিন মুর্তজা কীভাবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন, ‘মাশরাফি আনকোরা দেশি খেলোয়াড়দের নিয়েই শিরোপা জিতেছিলেন। দেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে ইমরুল কায়েস-আবু হায়দার রনি-অলক কাপালিরা কুমিল্লাকে শিরোপা এনে দেওয়ার মূল কারিগর। দেশি খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রাখেন, ভালো কিছু পাবেন। আশা করি দেশকে ভালোবেসে দেশের জন্য কিছু করবেন।’

শামসীর অবশ্য বলছেন, ‘১৫০ কোটি (ভারতের জনসংখ্যা) আর ১৭ কোটি মানুষ (বাংলাদেশে)। সমান হওয়ার তো কারণ নেই!’ এই যুক্তি বিপরীতে যে পাল্টা যুক্তি থাকতে পারে জিয়াউর রহমানের কথায় সেটি বোঝা যাবে, ‘অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ২৩.৭৮ মিলিয়ন (২ কোটি ৩৭ লাখ)। বিগ ব্যাশের একাদশে সর্বোচ্চ দুজন বিদেশি খেলোয়াড় খেলতে পারে। ইংল্যান্ডের জনসংখ্যা ৫৩.০১ মিলিয়ন (৫ কোটি ৩০ লাখ)।

নেটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টেও সর্বোচ্চ দুজন বিদেশি খেলোয়াড় থাকতে পারে। সেখানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬১ মিলিয়ন (১৬ কোটি)। আর আমরা বলছি সর্বোচ্চ পাঁচজন থাকতে পারে! প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা তখনই প্রস্ফুটিত হবে, যখন সে সুযোগ পাবে। যাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের অবকাঠামো শক্ত তাদের দেখে শিখুন।’

গোলাম মামুন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সচিবের সঙ্গে সহমত। তাঁর প্রশ্ন, ‘বাংলাদেশের মতো ২০টি দেশ মিলিয়ে ভারত। সেখানে বেশি প্রতিভা থাকবে না কেন? ভারত যে পরিকল্পনা করে এবং সেটি বাস্তবায়ন করে আমাদের দেশে তা করা হয় না। ভারতের ঘরোয়া লিগ যেকোনো আন্তর্জাতিক লিগের চেয়েও উন্নত। সারা বছর খেলা হয় ভারতে। বাংলাদেশে কী খেলা হয় যে ভারতের মতো প্রতিভা উঠে আসবে?’

সালমান আল জুবায়েরের কথা, ‘বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা বাড়ানো উচিত হবে না। বরং দল আর ভেন্যু বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া উচিত।’ সালেহ আহমেদ বলেন, ‘বিপিএলে যেসব বিদেশি খেলোয়াড় খেলে তারা বেশির ভাগই ভালো মানের নন। অর্ধেকেরও বেশি থাকে পাকিস্তানি। এদের বেশির ভাগই পাকিস্তানি জাতীয় দলেই সুযোগ পান না। তৃতীয় শ্রেণির বিদেশিদের খেলানোর চেয়ে সম্ভাবনাময়ী স্থানীয় খেলোয়াড়দের খেলানো অনেক ভালো।’

Loading...

Check Also

অন্য রকম এক ‘ফাইনালের’ সামনে জিদান

জীবনের একমাত্র ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি জিতেছেন জুভেন্টাস ক্লাবের হয়ে খেলার সময়ই। এর পর ক্লাব পরিবর্তনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *